পোস্টগুলি

​নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় ১১টি গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং বিশেষ ছাড়ের বিধান

ছবি
  ​নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় ১১টি গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং বিশেষ ছাড়ের বিধান ​নাগরিকত্ব প্রমাণের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত ১১টি নথিকে সরকার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করবে। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য এবং পরিচিতি সুনিশ্চিত করার জন্য এই দলিলগুলো প্রস্তুত রাখা যেতে পারে: ​ প্রয়োজনীয় ১১টি প্রমাণপত্র: ​১. সরকারি পরিচয় ও কর্মজীবনের নথি: রাজ্য বা কেন্দ্র সরকারের বর্তমান বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীর পরিচয়পত্র। ​২. ১ জুলাই, ১৯৮৭-এর পূর্বের দলিল: আপনার নামে থাকা যেকোনো পরিচয়পত্র, শংসাপত্র বা ডকুমেন্ট যা ১ জুলাই, ১৯৮৭ সালের আগে ভারত সরকার বা রাজ্য সরকার প্রদান করেছে। এর মধ্যে ব্যাংক, পোস্ট অফিস, কিংবা এলআইসি-র নথিও গ্রহণযোগ্য। ​৩. জন্ম শংসাপত্র (বার্থ সার্টিফিকেট): সরকারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত জন্ম শংসাপত্র। ​৪. ভারতীয় পাসপোর্ট: বৈধ ভারতীয় পাসপোর্ট। ​৫. শিক্ষাগত শংসাপত্র (জন্ম তারিখসহ): স্বীকৃত বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত শিক্ষা সংক্রান্ত শংসাপত্র, যেমন মাধ্যমিক বা সমমানের সার্টিফিকেট, যেখানে আপনার জন্মের সাল ও তারিখ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। ​৬. স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র...

১০ লক্ষ টাকার ড্রেন উদ্বোধন: উত্তর ভবানীপুরের নিকাশি সমস্যার সমাধানে জুয়েল রহমানকে ধন্যবাদ জানালেন এলাকাবাসী মালদার ইংরেজবাজার ব্লকের

ছবি
 ১০ লক্ষ টাকার ড্রেন উদ্বোধন: উত্তর ভবানীপুরের নিকাশি সমস্যার সমাধানে জুয়েল রহমানকে ধন্যবাদ জানালেন এলাকাবাসী মালদার ইংরেজবাজার ব্লকের অন্তর্গত শোভানগর অঞ্চলের উত্তর ভবানীপুর গ্রামের দীর্ঘদিনের জল নিকাশি সমস্যার স্থায়ী সমাধান হওয়ায় উত্তর ভবানীপুর গ্রামের স্থানীয় জনসাধারণ জেলা পরিষদের সদস্য মুহাম্মদ জুয়েল রহমান সিদ্দিকীকে আন্তরিক ধন্যবা ১০ লক্ষ টাকার ড্রেন উদ্বোধন: উত্তর ভবানীপুরের নিকাশি সমস্যার সমাধানে জুয়েল রহমানকে ধন্যবাদ জানালেন এলাকাবাসী মালদার ইংরেজবাজার ব্লকের দ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। রবিবার বিকেল ৪টায়, জেলা পরিষদের তহবিল থেকে ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই অত্যাধুনিক নিকাশি নালার শুভ উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের সদস্য মুহাম্মদ জুয়েল রহমান সিদ্দিকী। শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জুয়েল রহমান সিদ্দিকী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব মুফতি আবু সালেহ, বিশিষ্ট সমাজসেবী উমার ফারুক, বিশিষ্ট সমাজসেবী সুলতানা সাবানা ইয়াসমিন সহ স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জুয়েল রহমান সিদ্দিকী স্থানীয় জনগণের প্রতি তাঁর গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ত...

বাদশা'-র মুকুটে নতুন পালক: শাহরুখ খান এখন ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতা

ছবি
 'বাদশা'-র মুকুটে নতুন পালক: শাহরুখ খান এখন ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতা বলিউডের 'বাদশা' শাহরুখ খান বিলিয়নিয়র ক্লাবে যোগ দিয়ে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত হুরুন ইন্ডিয়ার ধনী তালিকা ২০২৫ অনুসারে, সুদীর্ঘ ৩৩ বছরের বর্ণময় কেরিয়ারের পর তিনি এখন ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতা। এই তালিকা অনুযায়ী, শাহরুখ খানের মোট সম্পদের পরিমাণ ১.৪ বিলিয়ন ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১২,৪৯০ কোটি টাকা। এই বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে তিনি কেবল দেশের অভিনেতাদের মধ্যেই শীর্ষে নন, বরং তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তারকাদের, যেমন - টেলর সুইফট ($১.৩ বিলিয়ন), আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার ($১.২ বিলিয়ন) এবং সেলেনা গোমেজ ($৭২০ মিলিয়ন)-কেও সম্পদের নিরিখে পিছনে ফেলেছেন। ভারতের ধনী অভিনেতাদের তালিকা (২০২৫) ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতাদের তালিকায় প্রথমে রয়েছেন শাহরুখ খান। তাঁর পরেই রয়েছেন তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধু জুহি চাওলা। এই তালিকার প্রথম পাঁচ ধনী অভিনেতা ও তাঁদের মোট সম্পদের পরিমাণ: ১. শাহরুখ খান: ১২,৪৯০ কোটি টাকা ২. জুহি চাওলা এবং পরিবার: ৭,৭৯০ কোটি টাকা ৩. হৃতিক রোশন: ২,১৬০ কোটি টাকা ৪. ...

ফিল্মি দুনিয়ায় অভিষেক হচ্ছে প্রসেনজিৎপুত্র তৃষাণজিতের

ছবি
 ফিল্মি দুনিয়ায় অভিষেক হচ্ছে প্রসেনজিৎপুত্র তৃষাণজিতের বাবা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বাংলার সুপারস্টার। ভালোবেসে টলিউড এবং অনুরাগীমহল যাঁকে ‘ইন্ডাস্ট্রি’ বলেই সম্বোধন করেন। কারও কাছে তিনি আবার ‘ইন্ডাস্ট্রির জেষ্ঠপুত্র’। মা অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়ও সু-অভিনেত্রী এবং গায়িকা। এহেন তারকা দম্পতির পুত্রসন্তান যে ভবিষ্যতে সেলুলয়েডে পা রাখবেন, সেটা বোধহয় ‘বিধির লিখন’ই ছিল। ঘোষণার অপেক্ষায় দিন গুনছিলেন অনুরাগীরাও। এবার খবর, ঠাকুরদা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, বাবা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং মা অর্পিতার পথে হেঁটেই ফিল্মি দুনিয়ায় অভিষেক করতে চলেছেন তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, মালদার অমৃতির লালাপুরে অবশেষে প্রায় 9 লক্ষ টাকা ব্যয়ে গ্রামবাসীদের জন্য একটি ড্রেনের শুভ উদ্বোধন করলেন জুয়েল রহমান সিদ্দিকী ।

ছবি
 দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, মালদার অমৃতির লালাপুরে অবশেষে প্রায় 9 লক্ষ টাকা ব্যয়ে গ্রামবাসীদের জন্য একটি ড্রেনের শুভ উদ্বোধন করলেন জুয়েল রহমান সিদ্দিকী । মালদা: দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা অবশেষে আলোর মুখ দেখলো। বর্ষার জল ও কাদায় চলাচলের চরম দুর্ভোগের শিকার অমৃতির লালাপুর গ্রামের প্রায় ৫০০-৭০০ মানুষের মুখে এখন স্বস্তির হাসি। জল নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় বছরের পর বছর ধরে গ্রামের রাস্তাগুলো ছিল যাতায়াতের অযোগ্য। ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষজন—সকলকেই এই কাদা জল ভেঙে নিত্যদিন পথ চলতে হতো। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি সুপরিকল্পিত ড্রেন নির্মাণের। এই দুর্দশা থেকে মুক্তি পেতে তারা অবশেষে দ্বারস্থ হন মালদা জেলা পরিষদের জনপ্রিয় সদস্য জুয়েল রহমান সিদ্দিকীর কাছে। 'যেমন নাম, তেমন কাজ'—এই কথাটিকে যেন সত্যি প্রমাণ করলেন জুয়েল। মালদা জেলার 'গুড বয়' হিসেবে পরিচিত এই নেতা গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়ালেন এবং তাদের আবেদন গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করলেন। তারই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়, রবিবার মালদা জেলা পরিষদের তহবিল থেকে অমৃতির খাতিব মুমিনের বাড়ি থেকে লালাপুর কবরস্থান পর্যন্ত ৮...

বীরনগরের অগ্নিকাণ্ডে ভস্মিভূত 30 টি পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মালদার বিশিষ্ট সমাজসেবিকা সুলতানা সাবানা ইয়াসমিন

ছবি
। মালদার বীর নগরের অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত 30টি পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন মালদার বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা সুলতানা সাবানা ইয়াসমিন ।   ঘটনার পরদিন অর্থাৎ 12ই মে সশরীরে তিনি তার টিম নিয়ে উপস্থিত হলেন মালদার প্রত্যন্ত গ্রাম বীরনগরের দুর্গারাম টোলায় ।সুলতানা ইয়াসমীন প্রতিটি পরিবারের লোকজনের মধ্যে কথা বলে খোঁজ খবর নিলেন।এক মহিলা তো সুলতানা শাবানা ইয়াসমিনের সামনে কান্নায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন, সুলতানা ইয়াসমিন তাকে মাটি থেকে তুলে শান্ত করার চেষ্টা করলেন।30 টি পরিবারের প্রতিটি মহিলার হাতে তুলে দিলেন একটি করে শাড়ি, প্রতিটি পুরুষের হাতে তুলে দিলেন একটি করে লুঙ্গি। শুধু তাই নয় 30টি পরিবারের 35-40 টি শিশুর জন্য পোশাক ও প্রতিটি পরিবার জন্য একটি করে গামছা দেবেন, এমনকি যে সমস্ত শিশু পড়াশোনা করছে তাদের কয়েকদিনের মধ্যেই খাতা কলম হাতে তুলে দেবেন বলে আশ্বাস দেন। সুলতানা সাবানা ইয়াসমিনকে পাশে পেয়ে অগ্নিকাণ্ডে সর্বহারা পুরুষ ও মহিলারা ভীষণ আপ্লুত, এমনকি তারা সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি বল্লেন,এমন ভালো মনের সমাজ সেবিকা এর পূর্বে কখনো দেখেননি। তারা আশীর্বাদ করলেন যেন সুলতানা সাবানা ইয়াসমিনের যেন আরো উ...

দুরারোগ্যক্যান্সার রোগ আক্রান্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন বিশ্বজিৎ মন্ডল

ছবি
 মানিকচকের ছেলে সম্রাট সাহা (৩০) দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত ( ফোর্থ স্টেজ )। চিকিৎসার যা খরচ তা ,তার পরিবারের পক্ষে বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এমন সময় সম্রাট সাহার  পাশে দাঁড়ালেন মানিকচকের অধিবাসী তথা মালদা জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি  বিশ্বজিৎ মন্ডল ।  বিশ্বজিৎ মন্ডল সেই পরিবারকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক কুড়ি হাজার টাকা সাহায্য করলেন ।এছাড়াও তিনি সংগঠনের তরফ থেকে চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছেন। সম্রাট সাহার চিকিৎসার জন্য বিশ্বজিৎ বাবুর উদ্যোগ নিঃসন্দেহে  সম্রাটের পরিবারকে একটু স্বস্তি দেবে ।